আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত হচ্ছে'
'হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত হচ্ছে' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং সংগৃহীত অর্থ ভুক্তভোগী ও শহীদ পরিবারগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে বণ্টনের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া স্পষ্ট করতে 'রুলস অব প্রসিডিউর' বা কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
প্রক্রিয়াটি সংশোধিত ও চূড়ান্ত হলে তা আইনি পরিভাষায় 'রেট্রোস্পেক্টিভ ইফেক্ট' বা ভুতাপেক্ষ হিসেবে (পূর্ববর্তী সময় থেকে কার্যকর) প্রযোজ্য হবে।
ফলে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ বাস্তবায়নে নতুন করে কোনো আইনি জটিলতা থাকবে না।
গতকাল সোমবার ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপের কথা নিশ্চিত করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ও বর্তমান রুলস অব প্রসিডিউরে আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা জরিমানা করা এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মৌলিক বিধান থাকলেও ঠিক কোন প্রশাসনিক বা সরকারি কাঠামোর মাধ্যমে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, নিলাম বা বিক্রি করা হবে, তার নির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি বিধিতে উল্লেখ নেই।
'উচ্চ শিক্ষায় বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্টের জমজমাট ব্যবসা' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার তরুণ প্রতি বছর উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যান। এ শিক্ষার্থীদের অনেকেই বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে ভুয়া কিংবা প্রতারণামূলক ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট দেখাচ্ছেন।
প্রতারণামূলক এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের দূতাবাস উদ্বেগ জানিয়েছে। নিজেরা বিবৃতি দেয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছে অনেক দেশের দূতাবাস।
আর এসব দেশে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীসহ ভ্রমণ ইচ্ছুক আবেদনকারীদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হারও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। চলতি বছরের ৭ই মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সাক্ষাৎ করেন। ভিসা আবেদনের সঙ্গে ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দেয়ার বিষয়টি সেই সাক্ষাতে তুলে ধরেন সারাহ কুক।
উদ্বেগজনক এমন প্রেক্ষাপটে গত ১২ই মে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ভিসা আবেদনের জন্য ইস্যু করা ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটে কিউআর কোড সংযুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এর পরও ভুয়া কিংবা প্রতারণামূলক স্টেটমেন্ট দেয়ার কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়নি।
'লিখতে-পড়তে জানেন না পৌনে চার কোটি মানুষ' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে তা অর্জনের পথে বড় বাধা এখনো নিরক্ষর বিপুলসংখ্যক মানুষ। সাত বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী প্রায় পৌনে ৪ কোটি মানুষ এখনো পড়তে-লিখতে জানেন না।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য রয়েছে। ওই অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজার।
এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। এর অর্থ জনসংখ্যার ২২ দশমিক ৯১ শতাংশ মানুষ এখনো নিরক্ষর।
তারা মূলত বিদ্যালয়বহির্ভূত বা ঝরে পড়া শিশু এবং শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ। এমন বাস্তবতায় আজ মঙ্গলবার (৮ই সেপ্টেম্বর) বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হবে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য 'মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা'। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৫ - এর তথ্যের ভিত্তিতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোও দেশে নিরক্ষর মানুষের সংখ্যা প্রায় পৌনে ৪ কোটি বলে জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন , এই বিপুল মানুষকে সাক্ষরতার আওতায় আনার জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন নেই ।
'প্রক্রিয়াজাত খাবারেও ভারী ধাতু, বড় ঝুঁকিতে শিশুরা' সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, প্রক্রিয়াজাত খাবারেও উদ্বেগজনক মাত্রায় ভারী ধাতুর উপস্থিতি পেয়েছেন গবেষকরা। বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া ৩২ ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করে ছয় ধরনের ভারী ধাতুর উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে।
এর মধ্যে কয়েকটি পণ্যে সিসা ও ক্রোমিয়ামের মাত্রা আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত, অনুমোদিত সীমার চেয়ে কয়েক গুণ থেকে কয়েকশ গুণ। সবচেয়ে বেশি দূষণের তথ্য মিলেছে বিভিন্ন পানীয়তে। কয়েকটি বেকারি পণ্য ও চকলেটেও সিসার মাত্রা ছিল অত্যন্ত বেশি।
এসব খাবার গ্রহণের ফলে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও মূল্যায়ন করেছেন গবেষকরা। তাতে দেখা গেছে, পরীক্ষা করা ৩২টি পণ্যের মধ্যে ৩১টিতেই শিশুদের ক্যান্সারসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এমন ঝুঁকি পাওয়া গেছে ৯টি পণ্যে।
এ ছাড়া কয়েকটি খাদ্যপণ্যের শ্রেণিতে শিশুদের ক্ষেত্রে ক্রোমিয়াম ও নিকেলের সম্ভাব্য ক্যান্সারজনিত ঝুঁকিও গ্রহণযোগ্য সীমার ওপরে পাওয়া গেছে।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব উলংগংয়ের গবেষকরা যৌথভাবে গবেষণাটি করেছেন। এটি গত ২২ আগস্ট আন্তর্জাতিক সাময়িকী জার্নাল ফর ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিসে প্রকাশিত হয়েছে।
'টিকা না পাওয়া শিশুর হামের ঝুঁকি ৯ গুণ' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, টিকা না পাওয়া শিশুর হামের ঝুঁকি টিকা পাওয়া শিশুর তুলনায় ৯ গুণ বেশি। গবেষকেরা এমন ছয় ধরনের ঝুঁকি শনাক্ত করেছেন। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, শুধু টিকা দিয়ে হাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনির্ণয় গবেষণাপ্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) তাদের নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অনুসন্ধান করে। তাদের ভাষায় এটি 'আউটব্রেক ইনভেস্টিগেশন'।
এই অনুসন্ধানে আইইডিসিআর দেখেছে, হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রথমে সরকারি হাসপাতালের চেয়ে বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে বেশি নেওয়া হয়। ফেসবুকে টিকাবিরোধী প্রচারণাও এ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এ বছর মার্চ মাসের শুরুর দিকে। আইইডিসিআর কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় ১৩ই থেকে ১৬ই মে এবং মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় ২০ থেকে ২২ মে এ অনুসন্ধানকাজ পরিচালনা করে।
এই দুই উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬২ জন হামে আক্রান্ত শিশুর সম্ভাব্য সব ধরনের তথ্য গবেষকেরা সংগ্রহ করেন।
'সার নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সার নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড ঘটেই চলেছে। মৌসুমের শুরুতেই প্রত্যাশিত সার না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে উত্তরের বিভিন্ন জেলার কৃষক। সারের জন্য দিশাহারা তারা।
গত দুইদিন কুড়িগ্রামের রৌমারী এবং লালমনিরহাটে সার ডিলারের গুদাম লুট ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ২৩শে আগস্ট কুড়িগ্রামে সারের গুদাম লুটের ঘটনা ঘটে।
রৌমারীতে সারের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ডিলারের দেখা না পেয়ে উত্তেজিত কৃষক মেসার্স মিতা-হাসান এন্টার প্রাইজের সার ডিলার পয়েন্টের গোডাউনের টিনের বেড়া ভেঙে শতাধিক বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার রৌমারী মহিলা কলেজপাড়া এলাকায় ওই ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ভূরুঙ্গামারীতে চাহিদা অনুযায়ী সার না পাওয়ায় খোলা বাজারের সার বিক্রির দাবিতে সড়ক অবরোধ ও উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল জব্বারকে অবরুদ্ধ করে ক্ষুব্ধ কৃষকরা।
পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোলা বাজারে সার বিক্রির আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
'ইয়াবা বেচে কিনছে অস্ত্র' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের আরাকান বা রাখাইনভিত্তিক রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপগুলোর মধ্যে অস্ত্র সংগ্রহের প্রতিযোগিতা বেড়েছে। নিজ নিজ দলের সদস্যসংখ্যা বাড়াতেও তারা বেশ তৎপর।
এ কারণে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র ও ইয়াবার বাজার কিছুদিন ধরে রমরমা। অস্ত্র সংগ্রহে অর্থের উৎস ইয়াবা।
এ জন্য সীমান্তে ইয়াবার বাজার দখল নিয়ে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলছে, যা থেকে প্রায়ই খুনাখুনি ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে গত দুই বছরে অন্তত ১৯টি বড় সংঘর্ষে ২৩ জন নিহত হয়েছে।
২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের ২০শে আগস্ট পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ক্যাম্পে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে ২৯২ জন। সবচেয়ে রক্তাক্ত বছর ছিল ২০২৩ সাল। ওই বছর আরসা ও আরএসওর সংঘাতে নিহত হয় ৮৩ জন।
গ্রুপের সদস্যরা বর্তমানে ইয়াবার কারবার করে অস্ত্রের ভাণ্ডার বাড়াতে তৎপর বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেনের নেতৃত্বাধীন আরাকান রোহিঙ্গা আর্মির (এআরএ) দুই থেকে আড়াই হাজার অস্ত্র রয়েছে।
'কঠিন শর্তের বেড়াজালে থার্ড টার্মিনাল' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, নির্মাণকাজ প্রায় শেষ, ঋণের কিস্তিও শুরু হয়ে গেছে। অথচ বিপুল ব্যয়ে নির্মিত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল এখনো চালু হয়নি।
১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসে টার্মিনালটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। কিন্তু সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তির আর্থিক ও পরিচালনাগত শর্ত।
গত দুই বছরে অন্তত ২০ দফা বৈঠক করেও সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। মন্ত্রী পর্যায়েও হয়েছে একাধিক বৈঠক।
শেষ পর্যন্ত ২৫শে আগস্ট জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাব-ওয়ার্কিং গ্রুপ তাদের কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব জমা দিয়েছে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই আজ শুরু হচ্ছে চূড়ান্ত আর্থিক নেগোসিয়েশন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাপানি কনসোর্টিয়াম টার্মিনাল পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশকিছু কঠিন শর্ত দিয়েছে। বিশেষ করে রাজস্ব ভাগাভাগি এবং পরিচালন কাঠামো নিয়ে তাদের প্রস্তাব সরকারের জন্য বড় ধরনের আর্থিক প্রশ্ন তৈরি করেছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞদের মতে, থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালু করা জরুরি হলেও তাড়াহুড়া করে দীর্ঘমেয়াদি কোনো চুক্তিতে যাওয়া ঠিক হবে না। অপারেটরকে দেওয়ার প্রস্তাবটি অর্থনৈতিকভাবে কতটা যৌক্তিক, তা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা প্রয়োজন।
'PRAN-RFL, Walton go big on solar equipment manufacturing amid energy crisis' দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, চলমান জ্বালানি সংকট এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে সরকারের জোরালো উদ্যোগের প্রেক্ষাপটেসোলার ইনভার্টার ও লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরির জন্য স্থানীয় উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করছে শিল্পগোষ্ঠী ওয়ালটন ও প্রাণ-আরএফএল। এছাড়া ওয়ালটন সোলার প্যানেল উৎপাদনের জন্য একটি বিশেষ কারখানা স্থাপনেরও পরিকল্পনা করছে।
এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য হলো আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং সৌরবিদ্যুতের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ দেশীয় সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
একই সাথে, এই দুটি গোষ্ঠী 'ক্যাপেক্স' মডেলের আওতায় সারা দেশে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে।
যার মাধ্যমে তারা সরকারি ও বেসরকারি খাতের গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের পাশাপাশি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সেবাও দেবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পগোষ্ঠীর কর্মকর্তাদের মতে, পহেলা আগস্ট বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের পর প্রকল্পগুলো গতি পায়।
ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বড় আকারের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামাল কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, নরসিংদীর পলাশে ১০ লাখ ডলার ব্যয়ে একটি সোলার ইনভার্টার উৎপাদন কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। কারখানাটিতে তিন থেকে চার মাসের মধ্যে উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
'Govt websites keep people in the dark' দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত, আমদানি ও সংগ্রহের পরিসংখ্যান, সাইলো ও গুদামজাতকরণ সক্ষমতা এবং ওএমএস কর্মসূচি সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার প্রত্যাশা স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে এসব তথ্য খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন।
মন্ত্রণালয়গুলো নিয়মিতভাবে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করে না। এমন প্রেক্ষাপটে, সরকারের কাছে মৌলিক তথ্য প্রকাশ স্বপ্নই রয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয় পোর্টালে তালিকাভুক্ত ৩৭টি মন্ত্রণালয় ও ৯টি বিভাগের মধ্যে অধিকাংশই তাদের ওয়েবসাইটে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ আইন অনুযায়ী এসব তথ্য প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক।
ব্যবহারকারী ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে সরকারি কার্যক্রম, ব্যয় এবং কর্মদক্ষতা বিষয়ক তথ্য জানার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।
প্রায় ২০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ক্ষেত্রে কেবল ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। পরবর্তী বছরগুলোর কোনো হালনাগাদ তথ্য সেখানে ছিল না।
একটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনের তালিকা থাকলেও সেগুলো দেখা সম্ভব হয়নি, আবার বেশ কিছু সরকারি ওয়েবসাইটে কখনোই কোনো বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।