আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'রাশিয়ারও নজর এবার বাংলাদেশে'
বাংলাদেশে এলএনজি বাণিজ্যে আমেরিকার পর এবার রাশিয়ার প্রবেশের চেষ্টা; পিএসসির আওতাভুক্ত নিয়োগ কার্যক্রমে সরকারের পৃথক উচ্চপর্যায়ের কমিটি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে; সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগে চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও উদ্বেগ এবং সংকট কাটাতে ক্ষুদ্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নজর বাংলাদেশের, এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সাথে আলোচনার খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— রাশিয়ারও নজর এবার বাংলাদেশে।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাণিজ্যে আমেরিকার পর এবার রাশিয়া প্রবেশের চেষ্টা করছে। চলতি মাসের শুরুতে পেট্রোবাংলার কাছে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব এসেছে।
নোভাটেক নামের প্রতিষ্ঠানের দেওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, তারা মহেশখালীতে একটি গ্র্যাভিটি-বেইজড স্ট্রাকচার নির্মাণ করতে চায়। সমুদ্রের তলদেশে বসানো বিশাল কংক্রিটের কাঠামোর ওপর তৈরি হবে স্থায়ী টার্মিনাল।
ফলে এটি ভাসমান টার্মিনালের মতো ঢেউ বা ঝড়ের সঙ্গে দুলবে না। এই টার্মিনালে এক মাসের গ্যাসের মজুদ রাখা যাবে।
এটি হবে এলএনজি গ্রহণ, সংরক্ষণ ও গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অবকাঠামো। বড় আকারের এলএনজি জাহাজ সরাসরি সেখানে এসে খালাস করতে পারবে।
এলএনজি ব্যবস্থাপনায় দুটি পদ্ধতির কথা বলেছে নোভাটেক। প্রথম পদ্ধতিতে এলএনজি পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে সমুদ্রের নিচ দিয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
আর দ্বিতীয় পদ্ধতিতে এলএনজি তরল অবস্থায় ছোট জাহাজে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হবে। এতে নতুন গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে।
এদিকে, বঙ্গোপসাগরের একই স্থানে আমেরিকা ও রাশিয়াকে প্রকল্প করার সুযোগ করে দেওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সমকালের প্রধান সংবাদ— পিএসসির নিয়োগে প্রশাসনের ছায়া।
এতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আওতাভুক্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করেছে সরকার।
নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান অবস্থায় এই কমিটি কীভাবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজ দ্রুত করতে সহায়তা করবে তা স্পষ্ট নয়।
ফলে জনপ্রশাসনেই এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিসিএসের বাইরে এই নিয়োগও পিএসসির প্রাতিষ্ঠানিক কাজের অংশ। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদটি পিএসসির বৃহত্তর নন-ক্যাডার নিয়োগ কাঠামোর অংশ।
ফলে এই একটি পদের নিয়োগ ত্বরান্বিত করতে সরকারের পৃথক উচ্চপর্যায়ের কমিটি কেন প্রয়োজন— তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে, নিয়োগ ত্বরান্বিত করার কথা বলে প্রশাসনিক কমিটি করা হলেও তাতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাউকে রাখা হয়নি। কমিটির কার্যপরিধি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এর আগে, সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধিদপ্তরে নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কমানো এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।
এতে নিয়োগে স্বচ্ছতার ঘাটতি ও অনিয়মের আশঙ্কা করে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সোচ্চার হয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— ক্ষোভ, উদ্বেগ চাকরিপ্রার্থীদের।
এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ তম গ্রেডে নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগে চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরাও উদ্বেগ জানিয়েছেন।
তাদের আশঙ্কা, লিখিত পরীক্ষায় নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানো হলে নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়তে পারে। 'পছন্দের' প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষায় বেশি নম্বর দিয়ে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এই উদ্যোগের প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার রাতে ও গতকাল বুধবার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
টাইমস অব বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Beyond Rooppur: US, China in talks as Bangladesh eyes small-scale nuclear energy; অর্থাৎ রূপপুর ছাড়াও ক্ষুদ্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নজর বাংলাদেশের, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সাথে আলোচনা।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির পাশাপাশি নতুন এক প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছাতে 'স্মল মডুলার রিয়্যাক্টর' বা এসএমআর নামের ছোট আকারের পারমাণবিক কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অংশীদার, এমনকি এক ভারতীয় বিজ্ঞানীর সঙ্গেও আলোচনা শুরু করেছে সরকার।
প্রস্তাবিত এই ছোট রিয়্যাক্টরগুলো থেকে ১০০ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব। যেসব দুর্গম অঞ্চল বা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বা গ্রিড তৈরি করা বেশ কঠিন ও খরচসাপেক্ষ, সেসব জায়গার জন্যই মূলত এই প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা ভাবা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভার এক সদস্য জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রযুক্তির ব্যাপারে বেশ আগ্রহ দেখিয়েছেন।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— বিপুল জনবল, উৎপাদনে নেই ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
এই খবরে বলা হয়েছে, এক হাজার ৩১৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার নরসিংদীর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকট, ইউনিট সংস্কার এবং কার্যক্ষমতা বিবেচনায় মাসের পর মাস বসে থাকছে।
কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও সেটি পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (বিপিডিবি) বিপুলসংখ্যক জনবল টানতে হচ্ছে।
বর্তমানে ঘোড়াশাল কেন্দ্রে বিপিডিবির জনবল ৭৫০ জন। এর বাইরে আউটসোর্সিং, বিভিন্ন ইউনিটের সাইটে কর্মরত লোকবল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট ও আনুষঙ্গিক কাজে জড়িতদের যোগ করলে জনবল সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার হয়।
যাদের বেশিরভাগের ব্যয় বিপিডিবির আর্থিক খাত থেকে মেটাতে হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিপিডিবি দেশের বিদ্যুৎ খাতে লোকসানি প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মেগাওয়াট নিজস্ব বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও গত অর্থবছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাত্র ১৩ শতাংশ।
স্বল্প বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সংস্থার এত জনবল বসিয়ে রেখে বেতন-ভাতা দেয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় আর্থিকভাবে দুর্বল বিপিডিবিকে ব্যয় সাশ্রয়ী পথ বেছে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন জ্বালানি খাত বিশেষজ্ঞরা।
বাড়ছে ডেঙ্গু, অক্টোবর ঘিরে শঙ্কা— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, গত অগাস্ট মাস থেকে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সঙ্গে মৃত্যুও বাড়ছে।
এর পেছনে আবহাওয়ার পরিবর্তন, মশার অতিরিক্ত ঘনত্ব এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক ঘাটতি
দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
আগামী অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রকোপ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
রোগতত্ত্ববিদদের পূর্বাভাস বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গু আরও বাড়বে।
সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ এবং অক্টোবরের শুরুর দিকে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
ইত্তেফাকের প্রধান খবর— টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হলেও শাখাভিত্তিক জটিলতায় ভোগান্তি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সম্মিলিত ইসলামী ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হলেও নানা শর্ত ও শাখাভিত্তিক জটিলতায় ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রাহকরা চাহিদা মতো টাকা তুলতে পারবে এমন আশায় গিয়ে অনেকে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
শাখা পর্যায়ে টাকা তোলার ব্যাখ্যা চাওয়া হচ্ছে। ফিক্সড ডিপোজিটের মেয়াদ শেষ হলেও মুনাফা দেওয়া হবে না এমন তথ্য জানাচ্ছেন শাখা পর্যায়ের ব্যাংক কর্মকর্তারা।
অর্থ ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংকের সঙ্গে বিগত সময়ে আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাইবাছাই করছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।
সংবাদের প্রধান শিরোনাম— দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জার বিস্তার হচ্ছে, ঝুঁকিতে পাঁচ শ্রেণীর মানুষ।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা এখন বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠছে। দু'দশকের নজরদারিতে দেখা গেছে, জ্বর-কাশি ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীদের প্রায় ১৩ শতাংশই ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত।
একই সময়ে দেশে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু'র উপস্থিতিও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
গতকাল ঢাকায় এক সেমিনারে দীর্ঘদিনের নজরদারি ও গবেষণার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন আইইডিসিআর ও আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্ৰ বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)।
এতে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, দেশের ১৫টি সরকারি ও একটি বেসরকারি হাসপাতালে গত ২০ বছর ধরে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো অসুস্থতা এবং তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে আসা রোগীদের ওপর নজরদারি চালানো হয়েছে।
নজরদারির আওতায় নেওয়া হয় মোট ১ লাখ ৭২ হাজার ৭৯২ জন রোগীকে। প্রত্যেকের নমুনা পরীক্ষার পর দেখা যায়, ২২ হাজার ২৮৪ জন বা প্রায় ১৩ শতাংশের শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ রয়েছে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৫-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি। তবে এ রোগে মৃত্যুঝুঁকি সবচেয়ে বেশি ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Criminalisation drives suicides into shadows in Bangladesh অর্থাৎ অপরাধ হিসেবে দেখায় বাংলাদেশে আত্মহত্যা আড়ালে থেকে যাচ্ছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বের যে কয়টি দেশে আত্মহত্যাকে এখনো অপরাধ হিসেবে দেখা হয়, বাংলাদেশ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম।
এই আইনি বাধা আত্মহত্যাকে মানসিক অসুস্থতা বা জটিল সামাজিক চাপের ফল হিসেবে দেখার পরিবর্তে একটি নৈতিক ও অপরাধমূলক কাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এই আইনের প্রেক্ষাপট খোদ বাংলাদেশের স্বাধীনতারও আগের। ব্রিটিশ শাসনামলে প্রণীত ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তার এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
আইনটি এখনো টিকে থাকা বড় কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দেয় দেয়, এমনটা বলছেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জার্নাল 'হেলথ সায়েন্স রিপোর্টস'-এ প্রকাশিত ২০২৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে আত্মহত্যার হার উদ্বেগজনক।
বাংলাদেশের প্রতি চারজনের মধ্যে একজন কখনো না কখনো আত্মহত্যার কথা ভেবেছেন এবং প্রতি ১৪ জনের মধ্যে একজন জীবনে অন্তত একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।
বাংলাদেশ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ১৫ হাজার আত্মহত্যার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
প্রথম আলোর প্রধান খবর— হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় মুঠোফোনের গোপন তথ্য।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের মানুষ মুঠোফোনে কার সঙ্গে কথা বলেন, কী বার্তা পাঠান, কোথায় কোথায় যান— এসব তথ্য টাকা দিলেই জানা যায়।
রীতিমতো ওয়েবসাইট খুলে নাম নিবন্ধন করে তা বহুদিন ধরে বিক্রি হয়।
যারা এসব তথ্য বিক্রি করেন, তাদেরকে দাবি করা টাকা দিয়ে একজন মন্ত্রী, তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার দুজন প্রধান এবং দৈনিকটির দুজন কর্মীর মুঠোফোন নম্বরের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) সংগ্রহ করে।
সিডিআরে তারা তিন মাসে কার সঙ্গে কত সময় কথা বলেছেন, কখন কথা বলেছেন, কথা বলার সময় তিনি কোথায় অবস্থান করেছেন ইত্যাদি নানা গোপন তথ্য রয়েছে।
পরে মন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে সিডিআর মিলিয়ে দেখানো হয়। যা হুবুহু মিলে যায়। বাকিদেরগুলো সঠিক ছিল।
মূলত, অনলাইনে মুঠোফোনের গোপন তথ্য কেনাবেচাকে ঘিরে একটি বাজার গড়ে উঠেছে। ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে, ওয়েবসাইট খুলে এবং টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এসব তথ্য বিক্রি হচ্ছে।